Top News

লুটপাটের ঘটনায় দাড়ি-টুপি পরা ব্যক্তিদের দেখা যাচ্ছে ।

 সম্প্রতি কিছু মহলে এই দাবি উঠেছে যে, দাড়ি এবং টুপি পরা লোকজন কখনও লুটপাটের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে না। এক্ষেত্রে তাদের পরিচিতি বা পোশাক দেখে পূর্বধারণা তৈরি করা হচ্ছে। তবে বাস্তব পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে, সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে, যেখানে বলা হচ্ছে, KFC এবং Bata-র মতো নামী ব্র্যান্ডগুলোর শোরুমেও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে বাংলাদেশে ।



এই পরিস্থিতি থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে—কেন কিছু মানুষ দাড়ি-টুপি পরা মানুষদের ‘নিষ্কলুষ’ হিসেবে উপস্থাপন করতে চান? বিশেষ করে যখন একই সময়ে লুটপাটের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে এবং দেখা গেছে যে, এমন হামলায় কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা ধর্মীয় পরিচয়ের পার্থক্য নেই। সামাজিক মাধ্যমে একদল মানুষ বলছেন, লুটপাটের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনও গোষ্ঠীকে দোষারোপ করা যায় না শুধুমাত্র তাদের পোশাক বা ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে।

তবে, অন্যদিকে, অনেকেই মনে করছেন যে এটি একটি চক্রান্ত হতে পারে, যাতে গোষ্ঠীভিত্তিক দোষারোপ বা অন্য কোনও উদ্দেশ্য সাধনের চেষ্টা হচ্ছে। কিছু মানুষের এমন ‘নিষ্কলুষ’ মন্তব্যের মাধ্যমে, লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের আসল পরিচয় আড়াল করা হতে পারে বলে তাদের ধারণা।

অবশ্যই, যে ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যক্তি বা গোষ্ঠী সেগুলি সংঘটিত করেছে, তাদের দোষ মুক্তি পাওয়ার কোনও সুযোগ নেই। জনমত এই দাবি জানাচ্ছে যে, এমন ধরনের পরিস্থিতি সামাল দিতে তদন্ত করা উচিত, যাতে তদন্তের পর কারও পক্ষেই ছাড় না থাকে এবং দোষী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা যায়।

এই বিতর্কের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হচ্ছে যে, পোশাক বা ধর্মীয় পরিচয় কখনোই অপরাধী বা নির্দোষ হওয়ার মাপকাঠি হতে পারে না। তাই, লুটপাটের ঘটনা বা অন্য কোনও অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে হবে নিরপেক্ষভাবে, যেন কোনো নির্দোষ ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে কালিমালিপ্ত করা না হয়।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন