Top News

রাতের অন্ধকারেই 'ঝকঝকে' হবে কলকাতা! শহর সাফাই নিয়ে কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম

কলকাতা শহরকে 'ঝকঝকে-তকতকে' করে তুলতে এক বড় চ্যালেঞ্জ হাতে নিয়েছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তাঁর লক্ষ্য, নাগরিকরা সকালে উঠে আর যেন আবর্জনাময় রাস্তাঘাট দেখতে না পান। যদিও মেয়র নিজে স্বীকার করছেন, এই ভাবনা রাতারাতি বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়, কারণ লোকবলের অভাব এবং বিপুল সংখ্যক শূন্য পদ পূরণের সমস্যা রয়েছে।

তাঁর কথায়, “বিষয়টা সহজ নয়। এটা নিয়ে কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করতে হবে।”

বর্তমানে কলকাতা পরিচ্ছন্ন রাখার কাজটি মূলত ১০০ দিনের কর্মীদের ওপর নির্ভর করে চলছে। এই অবস্থায় মেয়রের নতুন চিন্তা-রাতের অন্ধকারেই শহর সাফাইয়ের কাজ শেষ করে ফেলা। মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেন, “পরিকল্পনা করছি চূড়ান্ত হয়নি। তা হল, রাতেই সাফাইয়ের কাজ হবে। সকালে উঠে নাগরিকদের যাতে নোংরা শহর দেখে না-হয়।” তিনি আরও বলেন, “সকালে, দুপুরে আচমকা রাস্তায় না-ফেলার থেকে মানুষ রাতেই যদি নোংরাটা দিয়ে দেয় তাহলে সুবিধা।”

লোকবলের অভাব পূরণের পাশাপাশি যান্ত্রিক সক্ষমতাও বাড়াচ্ছে কলকাতা পুরনিগম। প্রায় ১৪ কোটি টাকা খরচ করে কুড়িটি মেকানিকাল সুইপিং মেশিন কেনা হচ্ছে। এই স্বয়ংক্রিয় গাড়িগুলি খুব অল্প সময়ে রাস্তা ও নর্দমার ধারে জমে থাকা আবর্জনা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলবে। এছাড়াও প্রতিটি ওয়ার্ডে ব্যাটারিচালিত গাড়ি রয়েছে। তবে পুরসভার একাংশের কথায়, লোকবলের অভাবে দিনে বা রাতে সাফাইয়ের নতুন উদ্যোগগুলি মুখ থুবড়ে পড়ছে।

বর্জ্য সংক্রান্ত আরেক সমস্যা ধাপা নিয়ে ফিরহাদ বলেন, “ধাপায় র‍্যাগপিকার আছে। কিন্তু ধাপা পর্যন্ত পৌঁছচ্ছে না সবটা। তার আগেই নানা ধরনের প্লাস্টিক, কাচ, বোর্ড সব কাগজ কুরানি নিয়ে নিচ্ছে।” এই কর্মীদের ফুটপাথে না থেকে নাইট শেল্টারে থাকার ব্যবস্থা করে সকালে কাজে ফেরার পরিকল্পনা করছে পুরসভা। এছাড়া, শহরবাসীকে বর্জ্য পৃথকীকরণে আরও সচেতন করতেও উদ্যোগ নিয়েছে কলকাতা পুরনিগম।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন